রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী গোদাগাড়ী উপজেলায় বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস-২০২৬’। একইসঙ্গে উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে উদ্বোধন করা হয়েছে তিনদিনব্যাপী কৃষি ও প্রযুক্তি মেলা।
মঙ্গলবার (৯ জুন) আধুনিক ও পুষ্টিনির্ভর কৃষিব্যবস্থা প্রসারের লক্ষ্য নিয়ে এসব আয়োজনের সূচনা হয়।
‘প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন এন্টারপ্রেনরশিপ অ্যান্ড রেসিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (PARTNER)’ প্রকল্পের আওতায় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে এই সম্মেলন ও মেলার আয়োজন করা হয়।
সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই), রাজশাহী অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক ড. আজিজুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন এবং ডিএই রাজশাহী অঞ্চলের সিনিয়র মনিটরিং অফিসার আব্দুল লতিফ।
বক্তারা বাংলাদেশের কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতির রূপান্তরে ‘পার্টনার’ প্রকল্পের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং নতুন কৃষি উদ্যোক্তা তৈরিতে এই প্রকল্প যুগান্তকারী ভূমিকা রাখছে। মাঠ পর্যায়ের কৃষকদের আধুনিক, জলবায়ু-সহিষ্ণু ও লাভজনক চাষাবাদে উৎসাহিত করতে এই ফিল্ড স্কুলগুলো একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে। এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে গোদাগাড়ী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মরিয়ম আহমেদ স্বাগত বক্তব্যে উপজেলার সামগ্রিক কৃষি চিত্র ও বর্তমান সম্ভাবনাগুলো তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইসরাত জাহান। স্থানীয় কৃষকদের উৎসাহিত করে তিনি বলেন, “এই প্রকল্পের সুযোগ-সুবিধা যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে আপনারা কেবল নিজেদের ভাগ্য উন্নয়নই করবেন না, বরং দেশের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবেন।”
সম্মেলনের মূল অনুষ্ঠানের পাশাপাশি উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে তিনদিনব্যাপী ‘কৃষি প্রযুক্তি মেলা- ২০২৬ শুভ উদ্বোধন করা হয়। আধুনিক কৃষিব্যবস্থার নানা কলাকৌশল ও যন্ত্রপাতির প্রদর্শনী সমৃদ্ধ এই মেলাটি স্থানীয় কৃষকদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করেছে।
উল্লেখ্য, উক্ত কংগ্রেসে স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তা, মাঠকর্মী, কৃষি উদ্যোক্তা এবং উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত বিপুল সংখ্যক সফল ও আদর্শ কৃষক অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলন শেষে কৃষকদের আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি ও পুষ্টি সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি বিশেষ প্রশিক্ষণ সেশনও পরিচালনা করা হয়।
মঙ্গলবার (৯ জুন) আধুনিক ও পুষ্টিনির্ভর কৃষিব্যবস্থা প্রসারের লক্ষ্য নিয়ে এসব আয়োজনের সূচনা হয়।
‘প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন এন্টারপ্রেনরশিপ অ্যান্ড রেসিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (PARTNER)’ প্রকল্পের আওতায় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে এই সম্মেলন ও মেলার আয়োজন করা হয়।
সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই), রাজশাহী অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক ড. আজিজুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন এবং ডিএই রাজশাহী অঞ্চলের সিনিয়র মনিটরিং অফিসার আব্দুল লতিফ।
বক্তারা বাংলাদেশের কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতির রূপান্তরে ‘পার্টনার’ প্রকল্পের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং নতুন কৃষি উদ্যোক্তা তৈরিতে এই প্রকল্প যুগান্তকারী ভূমিকা রাখছে। মাঠ পর্যায়ের কৃষকদের আধুনিক, জলবায়ু-সহিষ্ণু ও লাভজনক চাষাবাদে উৎসাহিত করতে এই ফিল্ড স্কুলগুলো একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে। এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে গোদাগাড়ী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মরিয়ম আহমেদ স্বাগত বক্তব্যে উপজেলার সামগ্রিক কৃষি চিত্র ও বর্তমান সম্ভাবনাগুলো তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইসরাত জাহান। স্থানীয় কৃষকদের উৎসাহিত করে তিনি বলেন, “এই প্রকল্পের সুযোগ-সুবিধা যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে আপনারা কেবল নিজেদের ভাগ্য উন্নয়নই করবেন না, বরং দেশের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবেন।”
সম্মেলনের মূল অনুষ্ঠানের পাশাপাশি উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে তিনদিনব্যাপী ‘কৃষি প্রযুক্তি মেলা- ২০২৬ শুভ উদ্বোধন করা হয়। আধুনিক কৃষিব্যবস্থার নানা কলাকৌশল ও যন্ত্রপাতির প্রদর্শনী সমৃদ্ধ এই মেলাটি স্থানীয় কৃষকদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করেছে।
উল্লেখ্য, উক্ত কংগ্রেসে স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তা, মাঠকর্মী, কৃষি উদ্যোক্তা এবং উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত বিপুল সংখ্যক সফল ও আদর্শ কৃষক অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলন শেষে কৃষকদের আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি ও পুষ্টি সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি বিশেষ প্রশিক্ষণ সেশনও পরিচালনা করা হয়।
আলিফ হোসেন